মেহেরপুর নিউজঃ
২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মেহেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত মডেল টেস্ট পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়।
জেলা প্রশাসক বলেন, আগামী এসএসসি পরীক্ষায় যেসব শিক্ষার্থী ভালো ফলাফল করবে, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। পাশাপাশি ভালো ফলাফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকেও পুরস্কারের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার আগে টেস্ট পরীক্ষায় যেসব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারবে না, তাদের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে না। তবে এখনো যথেষ্ট সময় রয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিজেদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে ভালো ফলাফলের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করার অভ্যাস তৈরি, পরীক্ষাভীতি দূর করা, পরীক্ষার হলে জড়তা কাটানো, দুর্বলতা চিহ্নিত করা, প্রস্তুতির ঘাটতি বোঝা, লেখার গতি বাড়ানো এবং সঠিক উত্তর দেওয়ার দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ মডেল টেস্টের আয়োজন করা হয়।
মেহেরপুর জেলার তিনটি উপজেলার ১১টি কেন্দ্রে মোট ৫ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থী মডেল টেস্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায় বলেন, এসএসসি পরীক্ষার খাতার আদলে মডেল টেস্ট নেওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা চূড়ান্ত পরীক্ষায় কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন না হয়।
তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে অবশিষ্ট সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের নিজেদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা কাটিয়ে উঠতে হবে। মডেল টেস্টের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা কোথায় পিছিয়ে আছে, তা বুঝতে পারবে এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে পারবে।
ভিডিও কনফারেন্সে জানানো হয়, মেহেরপুর সদর উপজেলার জিনিয়াস ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মেহেরপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও আমঝুপি মাধ্যমিক বিদ্যালয়; মুজিবনগর উপজেলার গোপালনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আনন্দবাস মিয়া মুনসুর একাডেমি ও মুজিবনগর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়; এবং গাংনী উপজেলার সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জোড়পুকুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মডেল টেস্টে ভালো ফলাফল করেছে।
ভিডিও কনফারেন্সে মেহেরপুর জেলার তিনটি উপজেলার ১০০টি বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা যুক্ত ছিলেন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) পার্থ প্রতিম শীল, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস্তামুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।