মেহেরপুর নিউজঃ
সাহায্য নেওয়ার কথা বলে বাড়িতে প্রবেশ করে চেতনা নাশক ঔষধের মাধ্যমে গৃহবধূকে অজ্ঞান করার চেষ্টা করার অভিযোগে ফকিরচাঁদ মন্ডল এবং ফয়সাল আহমেদ নামের দুই ব্যক্তিকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরের দিকে মেহেরপুর সদর উপজেলার বুড়িপোতা মসজিদ পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটক ফকিরচাঁদ মন্ডল কুষ্টিয়ার মীরপুর উপজেলার কাতলামারী গ্রামের মৃত গঞ্জেল আলীর ছেলে এবং ফয়সাল আহমেদ একই গ্রামের মৃত নোয়াব আলীর ছেলে।
জানা গেছে, ঘটনার সময় ফকিরচাঁদ মন্ডল ও ফয়সাল আহমেদ বুড়িপোতা গ্রামের জহিরুল ইসলামের বাড়িতে প্রবেশ করে দরবার শরিফের নামে সাহায্য চাওয়ার কথা বলে। এ সময় বাড়িতে জহিরুল ইসলামের স্ত্রী মৌসুমী খাতুন একাই ছিলেন। বাড়িতে আর কোনো লোক না থাকার সুযোগে ফকিরচাঁদ মন্ডল এবং ফয়সাল আহমেদ গৃহবধূ মৌসুমী খাতুনকে একটি টাকার নোট নাকের কাছে ধরে অজ্ঞান করার চেষ্টা করে।
বিষয়টি বুঝতে পেরে মৌসুমী খাতুন চিৎকার শুরু করেন। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং ফকিরচাঁদ মন্ডল ও ফয়সাল আহমেদকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশের একটি দল ফকিরচাঁদ মন্ডল ও ফয়সাল আহমেদকে থানায় নিয়ে আসে।
গৃহবধূ মৌসুমী খাতুনের স্বামী জহিরুল ইসলাম বলেন, ওই দুই ব্যক্তি তার বাড়িতে প্রবেশ করে প্রথমে সাহায্য চান। সাহায্য দেওয়ার পর তারা তার স্ত্রীকে অজ্ঞান করার চেষ্টা করেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে তার স্ত্রী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে তাদের আটক করেন।
মেহেরপুর সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, দুজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাদের যাচাই-বাছাই ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।