
মেহেরপুর শহরের ওয়াপদার মোড়ে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে উল্টে গেলে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন মেহেরপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে তাওহিদুর রহমান (৪০), একই গ্রামের মৃত আইয়ুব মল্লিকের ছেলে মো. আরিফুল ইসলাম (৩৬), চাঁদবিল গ্রামের সিদ্দিক শেখের স্ত্রী রেনুয়ারা খাতুন (৫০), আশরাফপুর গ্রামের মিয়ারুল ইসলামের ছেলে মিলন (১৮), তারানগর গ্রামের পিন্টু হালসোনার স্ত্রী ববিতা খাতুন (৩৮) এবং তার মেয়ে প্রিয়া খাতুন (২০)। এছাড়াও আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কুষ্টিয়া-জ-০৪-০০৩২ নম্বরের একটি যাত্রীবাহী বাস সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর কলেজ মোড় থেকে যাত্রী নিয়ে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। বাসটি মেহেরপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের গেটের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক ইউ-টার্ন নিয়ে বাসের সামনে চলে আসে। একই সময়ে একটি ইজিবাইকও বাসের সামনে পড়ে যায়। এ অবস্থায় বাসচালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনের খাদে বাসটি উল্টে ফেলেন।
দুর্ঘটনার পর বাসের ভেতরে থাকা যাত্রীদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধারকাজে অংশ নেন এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠান। খবর পেয়ে মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তা করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, বাসটি তখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। বাসটি তোলার আগে এর নিচে কোনো যাত্রী আটকা পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া উল্টে থাকা বাসটির দরজার পাশ পর্যন্ত হাঁটুসমান পানি জমে থাকায় উদ্ধারকাজে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে।